কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০০ হতদরিদ্র সহপাঠীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে মিথিলা ও তামিদ নামের দুই শিশু শিক্ষার্থী। মিথিলা ঢাকার একাডেমিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে এবং তাহমিদ ঢাকার ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছে। মানবতার সেবায় এগিয়ে আসায় দু’জনই সর্বমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
তারা দু’জনেই চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার দক্ষিণ ফালগুনকরা চৌধুরী বাড়ীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুস সাত্তার চৌধুরী ও মরহুমা জাহেরা খাতুন চৌধুরী দম্পতির নাতনী এবং মরহুম আব্দুল মোতালিব চৌধুরী ও মরহুমা তাহমিনা আফরোজ দোলন দম্পতির সন্তান। ওরা বৃটেনের রানী এলিজাবেথের ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রয়াত ডাঃ দুলাল এ জে চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য শিক্ষক ড. জামাল চৌধুরী জলিলের ভাতিজী ও ভাতিজা।
কুমিল্লা ১৭ উপজেলার করোনাভাইরাস আপডেট দেখতে এখানে ক্লিক করুন
জানা গেছে, মিথিলা ও তামিদ কয়েক বছর আগে নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ফালগুনী হোমসে পড়তো, যেখানে আশপাশের ১৫০ জন শিক্ষার্থী পড়তো। গত মাসখানেক বর্তমানে দু’জনের ঢাকার স্কুল বন্ধ। তাই তাদের টিফিনের টাকাসহ মাসিক আনুসাঙ্গিক খরচ বাবদ যত টাকা লাগতো তা তারা নিজ গ্রাম দক্ষিণ ফালগুনকরা ও পার্শ্ববর্তী আটগ্রামের ১০০ হতদরিদ্র সহপাঠী পরিবারের মাঝে উপহার হিসেবে প্রদান করেছে।
প্রত্যেক পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, তেল, সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দেয়া হয়। এরমধ্যে ২৭ এপ্রিল ৫৫ পরিবার ও ১৩ এপ্রিল ৪৫ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষ হয়েছে।
বিতরণ কার্যক্রমে আবু মুছা ভুঁইয়া স্বপনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সহযোগিতা করেন পৌর যুবলীগ নেতা বাদল ভূঁইয়া, আবু ছালেহ চৌধূরী রাববী, জাবেদ হোসেন মজুমদার, মোঃ হেলাল।
ছোটকাল থেকে মানব সেবায় জড়িত হওয়ায় তাদের ভবিষ্যত জীবনে উন্নতি কামনা করেছেন হতদরিদ্র সহপাঠীদের পরিবারের সদস্যরা।





