কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন, ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করতেই ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজার ব্যবসায়ীগণ ঈদ উৎসব উপলক্ষে র্যাফেল ড্র এর আয়োজন করে থাকে।
তিনি বলেন, ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত কুমিল্লা গড়তে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা লক্ষ্য করি, নির্বাচন আসলে কিছু লোক ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা নির্বাচনী মাঠে আসতে চায়। রাস্তায় নামে। কুমিল্লাতে ‘বাহার ঠেকাও’ প্রক্রিয়ায় ষড়যন্ত্র শুরু করে। আমি অত্যন্ত কম বয়সে কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। জরাজীর্ণ একটি পৌরসভার ২ বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় পরিণত করেছি।
আমার কঠোর পরিশ্রমের কারণে কুমিল্লাবাসী আমাকে দ্বিতীয়বার পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে বিপুল সংখ্যক ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে। প্রতিবারেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই আমি এমপি নির্বাচিত হয়েছি। আমি বলি, কুমিল্লা এগুলে এগুবে বাংলাদেশ। কুমিল্লা অনেক ক্ষেত্রে এগিয়েও আছে। আমরা শান্তির কুমিল্লা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী একচল্লিশ সালে বাংলাদেশের নাম লিখা হবে আমেরিকার সাথে। আগামীতে ‘এ’ তে আমেরিকা, ‘বি’ তে বাংলাদেশ ও ‘সি’ তে কুমিল্লা হবে।শনিবার ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমবায় সমিতি আয়োজিত ঈদ উৎসব উপলক্ষে র্যাফেল ড্র পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব নূরে আলম ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন খান জম্পি, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাভেদ, দৈনিক কুমিল্লার কাগজ সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয় ও আওয়ামীলীগ নেতা আহমেদ নিয়াজ পাবেল।
অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শাহ মো: আলমগীর খান ও ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির উপদেষ্টা এডভোকেট মোমিন ফেরদৌস।
সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া মঞ্জু।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে র্যাফেল ড্রয়ে ১ম স্থান অধিকারী আলমগীরের হাতে পুরস্কার স্বরূপ ১টি প্রাইভেটকারের চাবি হস্তান্তর করেন প্রধান অতিথি কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।





