সারাদেশে সাত দিনব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়া দেশব্যাপী এ লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। কঠোর বিধিনিষেধের আজ দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লার অংশ ফাঁকা। জরুরি সেবার আওতাভুক্ত কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া তেমন কোন পরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। অন্যান্য দিনের মতো ব্যস্ততম এ সড়কে নেই ঘরমুখো মানুষ।
এদিকে সকাল থেকেই বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে দাউদকান্দি, চান্দিনা, আলেখাচর বিশ্বরোড ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় বসানো হয়েছে চেক পোস্ট।
শুক্রবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, কোটবাড়ি বিশ্বরোড ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পণ্যবাহী পরিবহনের পাশাপাশি চলছে গুটি কয়েক রিকশা ও ইজিবাইক চলাচল করতে। কেউ নিয়ম না মানলেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতে মহাসড়কে রয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ নতুন কুমিল্লাকে জানান, বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সকাল থেকে সড়কে পুলিশ তৎপর রয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লা ১০৫ কিলোমিটার অংশে ৪টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া প্রাইভেটকার বা মাইক্রোবাস আটকে দেয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান নতুন কুমিল্লাকে বলেন, কুমিল্লায় লকডাউন বাস্তবায়নে ১৭ উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ৪৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং সেনাবাহিনীর, বিজিবি, পুলিশ ও আনসারবাহিনীসহ মোট ৬৭টি টিম কাজ করছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।





